E-Passport Bangladesh

 ই-পাসপোর্ট বাংলাদেশ (ইলেকট্রনিক) পাসপোর্ট এর সম্পূর্ণ করতে ধারাবাহিকতা ২০২৬। 



ইপাসপোর্ট কি? 

এটি ভ্রমণের জন্য আধুনিক পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট এ বায়োমেট্রিক চিপ থাকে যা পাসপোর্ট দারীর ব্যাক্তিগত তথ্য বায়োমেট্রিক ভাবে সংরক্ষণ করে। নরমাল প্রিন্টেট পাসপোর্ট থেকে ভিন্ন। ইপাসপোর্ট এ উন্নত মানের নিরাপত্তা, দূত অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং বৈদেশিক দেশগুলোর মাঝে সঙ্গতি প্রকাশ করে। 

পাসপোর্টের চিপে যেই তথ্য থাকে

নাম :

জন্মতারিখ :

জাতীয়তা:

ডিজিটাল ছবি :

বায়োমেট্রিক্স ভাবে (আঙ্গুলের ছাপ, চোখের ছাপ)

অন্যন্য শনাক্তকরণ নাম্বার থাকে। 


এই প্রযুক্তির কারণে পাসপোর্টের পরিচয় চুরি এবং জালিয়াতির ঝুকিঁ একেবারেই কম।


ই-পাসপোর্টের কিছু বৈশিষ্ট্য :

১.বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা : পাসপোর্টে যেই চিপ থাকে সেই চিপে উচ্চস্তরের এনক্রিপশন নিশ্চিত ভাবে করে, যার ফলে তথ্য নকল করা সম্ভব হয় না। 

২.দূত অভিবাসন ছাড়পত্র : এই পাসপোর্টের কারণে আন্তরজাতিক বিমানবন্দরে সয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক গেইট ব্যাবহার করার সুযোগ দেয় যা সময় বাচায়। 

৩.আনৃতরজাতিক দেশগুলোর সাথে  প্রকাশ করে : আন্তরজাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলল (ICAO) সংস্থা তাদের নিদৃষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। যা বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য। 

৪.স্পর্শ ছাড়া প্রযুক্তি : শারীরিক স্পর্শ ছাড়াই আই এফ আই ডি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডিনটিফিকেশন ব্যাবহার করে চিপটি স্ক্যান করে। 

ই-পাসপোর্টের সুবিধা: উন্নত নিরাপত্তা, জালিয়াতি রোধ, বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত, বিমানবন্দরে দূত চেকিং,  নিরাপত্তা অভিজ্ঞতা যাচাই হ্রাস। 

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের প্রকার ভেদ : 

১.৪৮-পৃষ্ঠার পাসপোর্ট এর মেয়াদ -৫ বছর হয়  

২.৬৪-পৃষ্ঠার পাসপোর্টের মেয়াত ১০ বছর হয়।


স্টেপ বাই স্টেপ ই-পাসপোর্টের আবেদন : 

অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

 পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে ফ্রম পূরণ করুন। 

ফি- প্রদান করতে হবে অনলাইন ব্যাংক এর মাধ্যমে 

বায়োমেট্রিক্এর জন্য তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। 

বায়োমেট্রিক : 

আঙ্গুলের ছাপ,ছবি,সাক্ষর,পুলিশ যাচাই,পটভূমি যাচাই করা,পাসপোর্ট বিতরণ, অনুমোদনের পর ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করুন।

ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র : জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ,পাসপোর্ট আকারের ছবি,পেশার প্রমাণ, ৪৮ পৃষ্ঠার টাকা কম লাগে,  ৬৪ পৃষ্টার পাসপোর্ট এ টাকা বেশী লাগে, কেও যদি জরুরি করে তাহলে ফি একটু বেশী লাগবে। 

পাসপোর্ট কত দিনে তৈরী হয়? 

 সাধারণ পাসপোর্ট-(১৫-২১) দিন লাগে। এক্সপ্রেস: ৭-১০ দিন লাগে।  সুপার এক্সপ্রেস :(২-৫) দিন লাগে। 

ই-পাসপোর্ট এবং মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট: 

ই-পাসপোর্টে বায়োমেট্রিক চিপ থাকে। 

মেশিন পাসপোর্ট এ ম্যানুয়াল তথ্য সুরক্ষা থাকে।


আবেদনকারীর জন্য সতর্কতা : 

১.তথ্য নির্ভূল ভাবে চেক করে দেন।

২.বায়োমেট্রিক ঠিক মতো দেন।

৩.অনলাইনে আবেদন ট্রাক করেন।

৪.ডেলিভারি স্লিপ নিরাপদে রাখুন। 


পাসপোর্ট পেতে দেরি হওয়ার কারণ: 

১.পুলিশ বেরিফিকেশন বাকি থাকা। 

২.কাগজ পত্র অনুপস্থিত থাকা। 

৩.অতিরিক্ত আবেদনের সংখ্যা। 


ই-পাসপোর্টের ভবিষ্যত : 

১.ডিজিটাল পরিচয় বহন করে।

২.মোবাইল পাসপোর্ট এ্যাপ। 

৩.কাগজবিহীন ভ্রমণ ব্যাবস্থা। 

৪.দূততম সময়ে ভূমন করা যায়।

৫.নিরাপদ ও কার্যকর ভ্রমন নিশ্চিত করে।


উপসংহার: 

সঠিক আবেদনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করার মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট পাবেন এটি এটি সহজ ও কার্যকর। অবগত থাকুন, সঠিক আবেদন করুন ই-পাসপোর্টের সাথে বিশ্ব ভ্রমণ করুন।

Previous Post Next Post